রবিবার, ১২ জুলাই ২০২০, ১০:৩৫ অপরাহ্ন

শিগগিরই মিলছে সোনা আমদানির লাইসেন্স

Reporter Name
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২০ নভেম্বর, ২০১৯
  • ১২৬ বার পঠিত

সোনা আমদানির লাইসেন্স পেতে অপেক্ষার পালা শেষ হচ্ছে। এ মাসের শেষ দিকে কিংবা আগামী মাসের শুরুতেই মিলছে এই লাইসেন্স। এরই মধ্যে আবেদনপত্র যাচাই-বাছাই কার্যক্রম সম্পন্ন করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। প্রাথমিক বাছাইয়ে প্রায় ৩০টির মতো আবেদন যোগ্য বলে বিবেচিত হয়েছে; যার একটি তালিকা গভর্নর ফজলে কবিরের কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে। তবে প্রথম ধাপে কতগুলো প্রতিষ্ঠানকে লাইসেন্স দেওয়া হবে সেটি এখনো চূড়ান্ত করা সম্ভব হয়নি। যদিও বাংলাদেশ ব্যাংকের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা বলছেন, প্রথম ধাপে ১৫-২০টি প্রতিষ্ঠানের বেশি লাইসেন্স দেওয়া হবে না।

বৈধ পথে সোনা আমদানির লক্ষ্যে গত ১১ মার্চ ডিলার নিয়োগের লাইসেন্স দিতে আবেদন আহ্বান করে বাংলাদেশ ব্যাংক। ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আবেদন করতে বলা হয়। শেষ সময় পর্যন্ত দুটি বাণিজ্যিক ব্যাংকসহ ৪৭টি আবেদন জমা পড়ে। প্রাথমিক যাচাই-বাছাই শেষে ৩০টির মতো আবেদন যোগ্য বলে বিবেচিত হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি সূত্র। তবে যোগ্য সব প্রতিষ্ঠানকে প্রথম ধাপে লাইসেন্স না দেওয়ার পক্ষে বাংলাদেশ ব্যাংক।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বাংলাদেশ ব্যাংকের এক কর্মকর্তা বলেন, দেশে অভ্যন্তরীণ বাজারে বার্ষিক প্রায় ১৫ থেকে ২০ মেট্রিক টন সোনার চাহিদা রয়েছে। এর চেয়ে কয়েক গুণ বেশি চাহিদা রয়েছে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে। সে দেশে সোনার আমদানির লাইসেন্সধারী প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা মাত্র ১৪টি। এর মধ্যে ব্যাংক আছে চারটি। সেটি বিবেচনায় নিয়ে লাইসেন্স দেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে যোগ্যতার বিচারে এগিয়ে থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোকে লাইসেন্স দেওয়া হবে। তবে সেই সংখ্যা ১৫-২০টির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে।

যোগাযোগ করা হলে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, সোনা আমদানির লাইসেন্সের জন্য ৪৭টি প্রতিষ্ঠান আবেদন করেছিল। আবেদনগুলো যাচাই-বাছাই শেষ হয়েছে। আশা করছি শিগগিরই লাইসেন্সের এই কার্যক্রম শুরু করতে পারব।

জানা যায়, সারা দেশে প্রায় চার থেকে পাঁচ হাজার ব্যবসায়ী সোনা ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। এর মধ্যে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির (বাজুস) সদস্যসংখ্যা প্রায় ৭০০। আর বাংলাদেশ জুয়েলারি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিজেএমইএ) সদস্য দুই শর মতো। কিন্তু সোনা আমদানির লাইসেন্সের জন্য সারা দেশ থেকে আবেদন জমা পড়েছে ৪৭টি। এর মধ্যে দুটি ব্যাংক রয়েছে। বাকি সবই প্রতিষ্ঠান। ব্যাংক দুটি হলো—মধুমতি ও পদ্মা ব্যাংক। আর প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে ভেনাস জুয়েলার্স, ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড, শারমীন জুয়েলার্স, আমিন জুয়েলার্স ইত্যাদি। এ ছাড়া আছে বাংলা গোল্ড, জড়োয়া হাউসসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠান।

জানা যায়, দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে বার্ষিক প্রায় ১৫ থেকে ২০ মেট্রিক টন সোনার চাহিদা রয়েছে। কিন্তু বৈধ পথে সোনা আমদানির সুযোগ না থাকায় এর বেশির ভাগ পূরণ হচ্ছে চোরাচালানের মাধ্যমে। এতে প্রতিবছর বড় অঙ্কের রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার। এই প্রেক্ষাপটে গত বছরের অক্টোবরে সোনা আমদানির নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত পজেটিভ নিউজ ২৪ বিডি ২০১৯।  
Theme Dwonload From BanglaThemes.Com
themesba-lates1749691102